সংসদের ২০২৫-এর বর্ষাকালীন অধিবেশনের সূচনায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

July 21st, 10:30 am

এই বর্ষাকালীন অধিবেশন দেশের জন্য প্রভূত গর্বের বিষয়। শুধু এই অধিবেশনই দেশের বিজয়ের এক উদযাপন। যখন আমি বলছি এই অধিবেশন জাতীয় গর্ব এবং বিজয় উদযাপন, তার বড় কারণ আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ভারতের ত্রিবর্ণ রঞ্চিত পতাকার উন্মোচন- প্রতিটি ভারতীয়ের জন্য প্রভূত গর্বের মুহূর্ত। এই সফল যাত্রা দেশকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের জন্য নতুন করে উৎসাহ এবং উত্তেজনায় ভরিয়ে দিয়েছে। সমগ্র সংসদ লোকসভা এবং রাজ্যসভা- দুইই- দেশের সব নাগরিককে সঙ্গে নিয়ে এক স্বরে এই সাফল্যকে উদযাপন করবে। এই একত্রে অভিনন্দন ভারতের আগামী মহাকাশ অভিযান যার লক্ষ্য আরও উঁচুতে ওঠা, তাতে অনুপ্রেরণা এবং উৎসাহ জোগাবে।

সংসদের বাদল অধিবেশনের সূচনায় প্রধানমন্ত্রী মোদী ভাষণ দিয়েছেন

July 21st, 09:54 am

প্রধানমন্ত্রী মোদী সংসদের বাদল অধিবেশনের সূচনায় সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। তাঁর ভাষণে তিনি ভয়াবহ পহেলগাম হত্যাকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেছেন এবং পাকিস্তানের ভূমিকা উন্মোচনে ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠের প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল ইন্ডিয়া, বিশেষ করে ইউপিআই-এর বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতির কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, দেশে নকশালবাদ এবং মাওবাদ হ্রাস পাচ্ছে এবং অপারেশন সিঁদুরের সাফল্যের প্রশংসা করেছেন।

রোজগার মেলার আওতায় ৫১,০০০-এরও বেশি নিয়োগপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের মূল অংশ

July 12th, 11:30 am

কেন্দ্রীয় সরকারে যুবকদের স্থায়ী চাকরি প্রদানের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আর এটাই আমাদের পরিচয়, কোনওরকম সুপারিশ কিংবা উৎকোচ ছাড়াই কর্মসংস্থান । আজ ৫১ হাজারেরও বেশি যুবক-যুবতীকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত, লক্ষ লক্ষ যুবক এই ধরনের কর্মসংস্থান মেলার মাধ্যমে ভারত সরকারে স্থায়ী চাকরি পেয়েছে। এখন এই তরুণরা জাতি গঠনে বড় ভূমিকা পালন করছে। আজও, আপনাদের অনেকেই ভারতীয় রেলে দায়িত্ব পালন শুরু করছেন, অনেক সহকর্মী এখন দেশের নিরাপত্তার রক্ষী হয়ে উঠবেন, ডাক বিভাগে নিযুক্ত সহকর্মীরা প্রতিটি গ্রামে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেবেন, কিছু সহকর্মী সকলের জন্য স্বাস্থ্য মিশনের সৈনিক হবেন, অনেক যুবক আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ইঞ্জিনকে ত্বরান্বিত করবেন এবং অনেক সহকর্মী ভারতের শিল্প উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার করবেন। আপনাদের বিভাগগুলো আলাদা, কিন্তু লক্ষ্য একটাই এবং সেই লক্ষ্যটা কী, আমাদের বারবার মনে রাখতে হবে, লক্ষ্য একটাই, বিভাগ যাই হোক না কেন, কাজ যাই হোক না কেন, পদ যাই হোক না কেন, ক্ষেত্র যাই হোক না কেন, লক্ষ্য একটাই – জাতির সেবা। নীতি এক – নাগরিক প্রথম, নাগরিক প্রথম। দেশের মানুষের সেবা করার জন্য আপনার কাছে একটি বিশাল প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। আপনাদের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এত বড় সাফল্য অর্জনের জন্য আমি আপনাদের, সকল তরুণদের অভিনন্দন জানাই। আপনাদের এই নতুন যাত্রার জন্য আমি আপনাদের সকলকে শুভকামনা জানাই।

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী রোজগার মেলায় ভাষণ দিয়েছেন

July 12th, 11:00 am

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ রোজগার মেলায় ভাষণ দিয়েছেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থার জন্য ৫১,০০০ নিয়োগপত্র নবনিযুক্ত যুবক-যুবতীদের হাতে তুলে দেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে আজ থেকে এই সব যুবক-যুবতী নতুন দায়িত্ব পালন করা শুরু করবেন। তিনি বিভিন্ন দপ্তরে যোগদানের কারণে তাঁদের অভিনন্দন জানান। আলাদা আলাদা দপ্তরে এঁরা নিজ নিজ কাজ করলেও মূল লক্ষ্য হবে এক — দেশের জন্য সেবা করা। এক্ষেত্রে 'সর্বাগ্রে নাগরিক'- সিটিজেন ফার্স্ট নীতি অনুসরণ করার পরামর্শ দেন তিনি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘‘মন কি বাত’’ (১২৩ তম পর্ব) অনুষ্ঠানের বাংলা অনুবাদ

June 29th, 11:30 am

আমার প্রিয় দেশবাসী, নমস্কার। মন কি বাতে আপনাদের স্বাগত জানাই, অভিনন্দন জানাই। আপনারা সবাই এই সময় যোগের শক্তি এবং ‘অন্তঃরাষ্ট্রীয় যোগ দিবস’-এর স্মৃতিতে পূর্ণ হয়ে রয়েছেন। এইবারও ২১ জুন দেশ ও বিশ্বের কোটি-কোটি মানুষ ‘অন্তঃরাষ্ট্রীয় যোগ দিবস’-এর উদযাপনে অংশ নিয়েছেন। আপনাদের মনে থাকবে, দশ বছর আগে এটা শুরু হয়েছিল। এখন দশ বছরে এই প্রক্রিয়া প্রত্যেক বছর আগের থেকে আরও জাঁকজমকপূর্ণ হয়ে উঠছে। এটা এই ব্যাপারেরও ঈঙ্গিত যে আরও বেশি-বেশি মানুষ নিজেদের দৈনন্দিন জীবনে যোগকে গ্রহণ করছেন। আমরা এবার ‘যোগ দিবস’-এর কতই না আকর্ষণীয় ছবি দেখেছি। বিশাখাপত্তনমের সমুদ্রতটে তিন লক্ষ মানুষ একসঙ্গে যোগাভ্যাস করেছেন। বিশাখাপত্তনম থেকেই আরও এক অদ্ভূত দৃশ্য সামনে এসেছে, দু’ হাজারেরও বেশি আদিবাসী শিক্ষার্থী ১০৮ মিনিট ধরে ১০৮ বার সূর্য নমস্কার করেছে। ভেবে দেখুন, কতটা অনুশাসন আর কতটা সমর্পণ মিশে ছিল এর সঙ্গে। আমাদের নৌবাহিনীর জাহাজেও যোগাভ্যাসের চমৎকার দৃশ্য দেখা গিয়েছে। তেলেঙ্গানায় তিন হাজার দিব্যাঙ্গ সাথী একসঙ্গে যোগ শিবিরে অংশ নেয়। তাঁরা দেখিয়েছেন যে যোগ কীভাবে সশক্তিকরণের মাধ্যমও হয়ে উঠতে পারে। দিল্লীর মানুষ যোগকে স্বচ্ছ যমুনা তৈরির সঙ্কল্পের সঙ্গে যুক্ত করেছেন এবং যমুনার তীরে গিয়ে যোগাভ্যাস করেছেন। জম্মু-কাশ্মীরে চেনাব সেতু যা পৃথিবীর সবথেকে উঁচু রেলসেতু, সেখানেও মানুষ যোগাভ্যাস করেছেন। হিমালয়ের তুষারাবৃত শিখর সেখানেও আই-টি-বি-পি-র জওয়ানদের যোগাভ্যাস দেখা গিয়েছে, সাহস আর সাধনা চলেছে একসঙ্গে। গুজরাতের মানুষও এক নতুন ইতিহাস রচনা করেছেন। ভডনগরে দু হাজার একশো একুশ জন মানুষ একসঙ্গে ভুজঙ্গাসন করেছেন এবং নতুন রেকর্ড তৈরি করেছেন। নিউইয়র্ক, লণ্ডন, টোকিও, প্যারিস – দুনিয়ার সব বড় শহর থেকে যোগাভ্যাসের ছবি এসেছে আর প্রত্যেকটি ছবিতে একটি বৈশিষ্ট ছিল– শান্তি, স্থিরতা আর ভারসাম্য। এবারের থীমও খুব বিশিষ্ট ছিল – যোগা ফর ওয়ান আর্থ, ওয়ান হেলথ অর্থাৎ ‘এক পৃথিবী, এক স্বাস্থ্য’। এটা কেবল একটা স্লোগান নয়, এ একটা অভিমুখ যা আমাদের ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’-এর অনুভব এনে দেয়। আমার বিশ্বাস, এবারের যোগ দিবসের জাঁকজমক আরও বেশি-বেশি মানুষকে যোগকে গ্রহণ করার জন্য নিশ্চিতভাবে অনুপ্রাণিত করবে।