উত্তর প্রদেশে নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রথম পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বঙ্গানুবাদ

March 28th, 12:15 pm

উদ্বোধন কি শেষ? শেষ? না, এটা তো মাত্র অর্ধেক কাজ হয়েছে। আমি কেবল পর্দা সরিয়েছি, কিন্তু আজ আমি চাই এখানে উপস্থিত প্রত্যেকেই এই বিমানবন্দরটির উদ্বোধন করুন। তাই, আপনাদের মোবাইল ফোন বের করুন, মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালান এবং আপনারাই এটি উদ্বোধন করছেন। একটি প্রদীপ জ্বালিয়ে এখানে উপস্থিত প্রত্যেক ব্যক্তি আজ এই বিমানবন্দরটি উদ্বোধন করছেন। এটি আপনাদের আস্থা, এটি আপনাদের ভবিষ্যৎ, এটি আপনাদের প্রচেষ্টা, এবং সেই কারণেই, এর উদ্বোধনও আপনাদের হাতেই হচ্ছে। বলুন ভারত মাতা কি জয়, হাত তুলুন এবং আপনাদের ফ্ল্যাশলাইট পুরোপুরি দেখান। ভারত মাতা কি জয়! ভারত মাতা কি জয়! ভারত মাতা কি জয়! আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। এখন উদ্বোধন শেষ হলো।

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী প্রায় ১১,২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে নির্মিত নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রথম ধাপের উদ্বোধন করলেন

March 28th, 12:00 pm

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ উত্তর প্রদেশের জেওয়ারে অবস্থিত নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করলেন। এই উপলক্ষে নিজের গর্ব ও আনন্দ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, আজকের দিনটি ‘উন্নত ইউপি, উন্নত ভারত’ অভিযানের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল। তিনি উল্লেখ করেন যে, ভারতের বৃহত্তম এই রাজ্যটি এখন সেইসব রাজ্যের অন্যতম হয়ে উঠেছে, যেখানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা সর্বাধিক। প্রধানমন্ত্রী মোদী জানান যে, তিনি আজ দ্বিগুণ গর্ব অনুভব করছেন—প্রথমত, কারণ তিনি নিজেই এই বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন এবং আজ এর উদ্বোধন করছেন; আর দ্বিতীয়ত, কারণ এই বিশাল বিমানবন্দরের নামটি উত্তর প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত। শ্রী মোদী মন্তব্য করেন, “এটিই সেই রাজ্য, যারা আমাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিয়েছিল এবং আমাকে সংসদ সদস্য করেছিল; আর এখন এই চমৎকার বিমানবন্দরের সঙ্গে তাদের পরিচয়ও ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেল।”

তিয়ানজিনে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বঙ্গানুবাদ

August 31st, 11:06 am

উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য আমি আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। গত বছর, কাজানে আমাদের একটি অত্যন্ত অর্থবহ আলোচনা হয়েছিল, যা আমাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দিকনির্দেশ দিয়েছে। সীমান্তে সেনা প্রত্যাহারের পর শান্তি ও স্থিতিশীলতার পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের বিশেষ প্রতিনিধিরা সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছেন। কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু হয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচলও শুরু হচ্ছে। আমাদের মধ্যে সহযোগিতা আমাদের দুই দেশের ২৮০ কোটি মানুষের স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত। এটি সমগ্র মানবতার কল্যাণের পথও প্রশস্ত করবে। পারস্পরিক বিশ্বাস, শ্রদ্ধা এবং সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে আমাদের সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।