ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
February 19th, 01:00 pm
ভারতে অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে আরও একবার আপনাদের স্বাগত জানাই। এই শীর্ষ সম্মেলন কৃত্রিম মেধার ব্যবস্থাপনায় একটি মানবমুখী স্পর্শকাতর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এ নেতাদের প্লেনারি সেশনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন্তব্য
February 19th, 12:39 pm
নতুন দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এ নেতাদের প্লেনারি সেশনে করা নিজের মন্তব্য ভাগ করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। ভারতে এআই ইমপ্যাক্ট সামিট-এ অংশগ্রহণকারীদের আরও একবার স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছেন, এই সামিট মানবকেন্দ্রিক এবং সংবেদনশীল বিশ্ব এআই পরিমণ্ডল গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। তিনি বলেন যে, ইতিহাস দেখিয়েছে মানবসমাজ সবসময় অসুবিধাকে সুযোগে পরিণত করেছে এবং আজ এমনই এক মুহূর্ত উপস্থিত অসুবিধাকে মানব সমাজে সর্বোত্তম সুযোগে রূপান্তর করার।পবিত্র দেবনীমোরির অবশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করায় শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
February 05th, 10:45 am
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী কলম্বোয় গঙ্গারামায়া মন্দিরে পবিত্র দেবনীমোরি অবশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করায় শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি শ্রী অনুরা কুমারা দিশানায়েকেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।পবিত্র পিপরাহওয়া ধ্বংসাবশেষে ভগবান বুদ্ধ বিষয়ক্ বিশাল আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
January 03rd, 12:00 pm
আমার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সহকর্মীবৃন্দ, গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত জি, কিরেন রিজিজু জি, রামদাস আঠাওয়ালে জি, রাও ইন্দ্রজিৎ জি, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী মহোদয়ের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি থাকায় তিনি চলে গেছেন, দিল্লির সকল মন্ত্রী, দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর শ্রী সাক্সেনা জি, মাননীয় রাষ্ট্রদূতগণ, কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, বৌদ্ধ পণ্ডিতগণ, ধর্মাবলম্বীগণ, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ।প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী নতুন দিল্লিতে ভগবান বুদ্ধ সম্পর্কিত পবিত্র পিপরাহওয়া ধ্বংসাবশেষের বিশাল আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন
January 03rd, 11:30 am
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নতুন দিল্লির রাই পিথোরা কালচারাল কমপ্লেক্সে ‘দ্য লাইট অ্যান্ড দ্য লোটাস : রেলিকস অফ দ্য অ্যাওয়েকেন্ড ওয়ান’ শীর্ষক ভগবান বুদ্ধ সম্পর্কিত পবিত্র পিপরাহওয়া ধ্বংসাবশেষের বিশাল আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছেন। এই উপলক্ষে সমবেতদের উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১২৫ বছর অপেক্ষার পর ভারতের ঐতিহ্য ফিরে এসেছে, ভারতের উত্তরাধিকার ফিরে এসেছে। তিনি বলেন, আজ থেকে ভারতের মানুষ ভগবান বুদ্ধের এই পবিত্র ধ্বংসাবশেষ দর্শন করতে এবং তাঁর আশীর্বাদ লাভ করতে পারবেন। শ্রী মোদী এই শুভ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল অতিথিকে স্বাগত জানান এবং শুভেচ্ছা জানান। তিনি উপস্থিত ভিক্ষু ও ধর্মগুরুদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন যে, তাঁদের উপস্থিতি এই অনুষ্ঠানকে নতুন শক্তি জোগাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের শুরুতেই এই শুভ উদযাপন অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। ভগবান বুদ্ধের আশীর্বাদে ২০২৬ সাল বিশ্বের জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সম্প্রীতির এক নতুন যুগ নিয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।রাই পিথোরা সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে পিপরাহওয়া স্মারক ধ্বংসাবশেষ দেখার জন্য নাগরিকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
January 02nd, 06:16 pm
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ৩ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে সকাল ১১ টায় নতুন দিল্লির রাই পিথোরা সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে লাইট অ্যান্ড লোটাস: রেলিক্স অফ দ্য অ্যাওকেন্ড ওয়ান শীর্ষক পবিত্র পিপরাহওয়া স্মারকের বিশেষ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন।ভগবান বুদ্ধ সম্পর্কিত পবিত্র পিপরাহুয়া নিদর্শন নিয়ে বিশাল আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
January 01st, 05:39 pm
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী নতুন দিল্লির রাই পিথোরা সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে তেসরা জানুয়ারি ভগবান বুদ্ধ সম্পর্কিত পবিত্র পিপরাহুয়া নিদর্শন নিয়ে বিশাল আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন। এই প্রদর্শনীর নামকরণ করা হয়েছে ‘দ্য লাইট অ্যান্ড দ্য লোটাস: রেলিক্স অফ দ্য অ্যাওয়াকেন্ড ওয়ান’। বেলা ১১টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করার কথা।প্রধানমন্ত্রীকে বরণ ভুটানের রাজার
November 11th, 06:14 pm
থিম্পুতে আজ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীকে বরণ করেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসর নামগিয়েল ওয়াংচুক। দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি এবং শক্তিশালী করা নিয়ে দুই নেতার মধ্যে মতবিনিময় হয়। পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়। দিল্লিতে বিস্ফোরণে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন ভুটানের রাজা।ভুটান রওনা হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি
November 11th, 07:28 am
চলতি বছরের ১১ – ১২ নভেম্বর আমি ভুটানে যাচ্ছি।ভগবান বুদ্ধের পবিত্র নিদর্শন শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণের জন্য ভুটানের মানুষ ও নেতৃত্বের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী
November 09th, 03:43 pm
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ভারত থেকে পাঠানো ভগবান বুদ্ধের পবিত্র নিদর্শন শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণের জন্য ভুটানের মানুষ ও নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২৫ সালের ১১-১২ নভেম্বর ভুটান সফর করবেন
November 09th, 09:59 am
দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদী ২০২৫ সালের ১১-১২ নভেম্বর ভুটানে রাষ্ট্রীয় সফর করবেন। এই সফরকালে, প্রধানমন্ত্রী ভুটানের রাজা রাজা জিগমে খেসর নামগিয়াল ওয়াংচুক এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে দেখা করবেন। প্রধানমন্ত্রী ভুটানের চতুর্থ রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের ৭০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন এবং গ্লোবাল পিস প্রেয়ার ফেস্টিভ্যালে যোগ দেবেন।নতুন দিল্লিতে জ্ঞান ভারতম-এর আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বঙ্গানুবাদ
September 12th, 04:54 pm
আজ বিজ্ঞান ভবন ভারতের সোনালী অতীতের নবজাগরণের সাক্ষী হচ্ছে। মাত্র কয়েকদিন আগে, আমি জ্ঞান ভারতম মিশন ঘোষণা করেছিলাম। আর আজ এত অল্প সময়ের মধ্যে, আমরা জ্ঞান ভারতম আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করছি। এর সঙ্গে যুক্ত পোর্টালটিও এখন চালু করা হয়েছে। এটি কোনও সরকারি বা বিদ্যায়তনিক অনুষ্ঠান নয়, জ্ঞান ভারতম মিশন ভারতের সংস্কৃতি, সাহিত্য এবং চেতনার প্রকাশকেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে। হাজার হাজার প্রজন্মের চিন্তাভাবনা এবং প্রতিফলন, ভারতের মহান ঋষি-আচার্য এবং পণ্ডিতদের দর্শন এবং গবেষণা, আমাদের জ্ঞান ঐতিহ্য, আমাদের বৈজ্ঞানিক ঐতিহ্য; জ্ঞান ভারতম মিশনের মাধ্যমে আমরা সেগুলিকে ডিজিটালাইজ করতে যাচ্ছি। এই অভিযানের জন্য আমি সকল দেশবাসীকে অভিনন্দন জানাই। জ্ঞান ভারতম এবং সংস্কৃতি মন্ত্রকের পুরো টিমকে আমার শুভেচ্ছা।নতুন দিল্লিতে জ্ঞান ভারতম নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ভাষণ প্রধানমন্ত্রীর
September 12th, 04:45 pm
নতুন দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আজ জ্ঞান ভারতম নিয়ে এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর ভাষণে শ্রী মোদী ভারতের সোনালি অতীতের পুনর্জাগরণের কথা উল্লেখ করেন। এ প্রসঙ্গে কয়েকদিন আগে ঘোষণা করা জ্ঞান ভারতম মিশনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।জাপানের প্রিফেকচারের গভর্নরদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বঙ্গানুবাদ
August 30th, 08:00 am
আজ আপনাদের সকলের সঙ্গে দেখা করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আপনারা জাপানের শক্তি এবং বৈচিত্র্যের জীবন্ত প্রতিমূর্তি।বিহারের গয়াজিতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বঙ্গানুবাদ
August 22nd, 12:00 pm
বিহারের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান জী, এখানকার জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার জী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার সহকর্মী জিতন রাম মাঝি জী, রাজীব রঞ্জন সিং জী, চিরাগ পাসওয়ান জী, রামনাথ ঠাকুর জী, নিত্যানন্দ রায় জী, সতীশ চন্দ্র দুবে জী, রাজভূষণ কুমার চৌধুরী জী, বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী চৌধুরী কুমার সিনহা জী, বিহার সরকারের মন্ত্রীগণ, সংসদে আমার সহকর্মী উপেন্দ্র কুশওয়াহা জী, অন্যান্য সাংসদগণ এবং আমার প্রিয় বিহারের ভাই ও বোনরা !বিহারের গয়ায় ১২,০০০ কোটি টাকার একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর
August 22nd, 11:20 am
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ বিহারের গয়ায় ১২,০০০ কোটি টাকার একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তিনি বলেন, গয়ার দ্রুত উন্নয়নে একযোগে কাজ করে চলেছে কেন্দ্র এবং বিহার সরকার।১২৭ বছর পর পবিত্র পিপ্রাহওয়া অবশিষ্টাংশ দেশে ফিরে আসায় স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
July 30th, 02:44 pm
১২৭ বছর পর ভগবান বুদ্ধের পিপ্রাহওয়া অবশিষ্টাংশ ভারতে ফিরে আসার জন্য স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য এটি গর্বের এবং আনন্দের মুহূর্ত বলে অভিহিত করেছেন তিনি।শান্তি ও সুরক্ষা নিয়ে ব্রিকস্ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি
July 06th, 11:07 pm
বিশ্ব শান্তি ও সুরক্ষা শুধুমাত্র আদর্শ নয়, আমাদের পারস্পরিক স্বার্থ ও ভবিষ্যতের ভিত্তি। শান্তি ও সুরক্ষার পরিবেশ বজায় থাকলেই মানুষের অগ্রগতি সম্ভব। এই লক্ষ্য পূরণে ব্রিকস্-এর এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এখন আমাদের একত্রিত হওয়ার সময়, সমস্ত চ্যালেঞ্জ ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার সময়।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘‘মন কি বাত’’ (১২৩ তম পর্ব) অনুষ্ঠানের বাংলা অনুবাদ
June 29th, 11:30 am
আমার প্রিয় দেশবাসী, নমস্কার। মন কি বাতে আপনাদের স্বাগত জানাই, অভিনন্দন জানাই। আপনারা সবাই এই সময় যোগের শক্তি এবং ‘অন্তঃরাষ্ট্রীয় যোগ দিবস’-এর স্মৃতিতে পূর্ণ হয়ে রয়েছেন। এইবারও ২১ জুন দেশ ও বিশ্বের কোটি-কোটি মানুষ ‘অন্তঃরাষ্ট্রীয় যোগ দিবস’-এর উদযাপনে অংশ নিয়েছেন। আপনাদের মনে থাকবে, দশ বছর আগে এটা শুরু হয়েছিল। এখন দশ বছরে এই প্রক্রিয়া প্রত্যেক বছর আগের থেকে আরও জাঁকজমকপূর্ণ হয়ে উঠছে। এটা এই ব্যাপারেরও ঈঙ্গিত যে আরও বেশি-বেশি মানুষ নিজেদের দৈনন্দিন জীবনে যোগকে গ্রহণ করছেন। আমরা এবার ‘যোগ দিবস’-এর কতই না আকর্ষণীয় ছবি দেখেছি। বিশাখাপত্তনমের সমুদ্রতটে তিন লক্ষ মানুষ একসঙ্গে যোগাভ্যাস করেছেন। বিশাখাপত্তনম থেকেই আরও এক অদ্ভূত দৃশ্য সামনে এসেছে, দু’ হাজারেরও বেশি আদিবাসী শিক্ষার্থী ১০৮ মিনিট ধরে ১০৮ বার সূর্য নমস্কার করেছে। ভেবে দেখুন, কতটা অনুশাসন আর কতটা সমর্পণ মিশে ছিল এর সঙ্গে। আমাদের নৌবাহিনীর জাহাজেও যোগাভ্যাসের চমৎকার দৃশ্য দেখা গিয়েছে। তেলেঙ্গানায় তিন হাজার দিব্যাঙ্গ সাথী একসঙ্গে যোগ শিবিরে অংশ নেয়। তাঁরা দেখিয়েছেন যে যোগ কীভাবে সশক্তিকরণের মাধ্যমও হয়ে উঠতে পারে। দিল্লীর মানুষ যোগকে স্বচ্ছ যমুনা তৈরির সঙ্কল্পের সঙ্গে যুক্ত করেছেন এবং যমুনার তীরে গিয়ে যোগাভ্যাস করেছেন। জম্মু-কাশ্মীরে চেনাব সেতু যা পৃথিবীর সবথেকে উঁচু রেলসেতু, সেখানেও মানুষ যোগাভ্যাস করেছেন। হিমালয়ের তুষারাবৃত শিখর সেখানেও আই-টি-বি-পি-র জওয়ানদের যোগাভ্যাস দেখা গিয়েছে, সাহস আর সাধনা চলেছে একসঙ্গে। গুজরাতের মানুষও এক নতুন ইতিহাস রচনা করেছেন। ভডনগরে দু হাজার একশো একুশ জন মানুষ একসঙ্গে ভুজঙ্গাসন করেছেন এবং নতুন রেকর্ড তৈরি করেছেন। নিউইয়র্ক, লণ্ডন, টোকিও, প্যারিস – দুনিয়ার সব বড় শহর থেকে যোগাভ্যাসের ছবি এসেছে আর প্রত্যেকটি ছবিতে একটি বৈশিষ্ট ছিল– শান্তি, স্থিরতা আর ভারসাম্য। এবারের থীমও খুব বিশিষ্ট ছিল – যোগা ফর ওয়ান আর্থ, ওয়ান হেলথ অর্থাৎ ‘এক পৃথিবী, এক স্বাস্থ্য’। এটা কেবল একটা স্লোগান নয়, এ একটা অভিমুখ যা আমাদের ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’-এর অনুভব এনে দেয়। আমার বিশ্বাস, এবারের যোগ দিবসের জাঁকজমক আরও বেশি-বেশি মানুষকে যোগকে গ্রহণ করার জন্য নিশ্চিতভাবে অনুপ্রাণিত করবে।আদমপুর বিমানঘাঁটিতে বিমানবাহিনীর সাহসী যোদ্ধাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়
May 13th, 03:45 pm
সারা বিশ্ব এই স্লোগানের শক্তি উপলব্ধি করেছে। ভারতমাতার জয়, নিছক এক স্লোগান নয়, এটি দেশের প্রত্যেক সৈনিকের শপথবাক্য যাঁরা ভারতমাতার সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার্থে তাঁদের জীবনকে বাজি রেখেছেন। যেসব নাগরিক দেশের জন্য বাঁচতে চান, কোনকিছু অর্জন করতে চান, তাঁদের প্রত্যেকের মধ্যে এটি ধ্বনিত হচ্ছে। ভারতমাতার জয় আকাশে-বাতাসে সর্বত্র অনুরণিত হচ্ছে। যখন ভারতের সৈনিকরা মা ভারতী কি জয় বলে স্লোগান দেন, তখন শত্রুর বুক কাঁপে। যখন আমাদের ড্রোন শত্রুর দুর্গের দেওয়ালে আঘাত হেনে তাকে ধ্বংস করে, যখন আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে, তখন শত্রুরা শুনতে পায় – ভারতমাতার জয়! যখন রাতের অন্ধকারে আমরা সূর্যের উদয় ঘটাই, তখন শত্রুরা দেখে ভারতমাতার জয়! যখন আমাদের বাহিনী পারমাণবিক অস্ত্রের যুযুর ভয়কে অগ্রাহ্য করে, তখন আকাশ থেকে পাতাল পর্যন্ত একই ধ্বনি অনুরণিত হয় – ভারতমাতার জয়!