গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী বড়ো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাগুরুম্বা ধেহু (ঢেঊ) উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বঙ্গানুবাদ
January 17th, 06:30 pm
আসামের রাজ্যপাল শ্রী লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য জি, মুখ্যমন্ত্রী শ্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জি, কেন্দ্রীয় সরকারে আমার সহকর্মী শ্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল জি, শ্রী পবিত্র মার্ঘেরিটা জি, আসাম বিধানসভার অধ্যক্ষ শ্রী বিশ্বজিৎ দাইমারি জি, বোডোল্যান্ড টেরিটোরিয়াল কাউন্সিলের মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য শ্রী হাগরামা মোহিলারি জি, রাজ্য সরকারের মন্ত্রীগণ, সকল বিশিষ্ট নাগরিক ভাই ও বোনেরা এবং আমার আসামের ভাই ও বোনেরা,প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আসামের গুয়াহাটিতে বাগুরুম্বা ধেহু (ঢেউ) উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাষণ দিলেন
January 17th, 06:00 pm
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী গুয়াহাটির সরুসাজাই স্টেডিয়ামে বোড়ো সম্প্রদায়ের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য উদযাপনের ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাগুরুম্বা ধেহু (ঢেউ) ২০২৬-এ ভাষণ দেন।এই অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসামের সংস্কৃতি প্রত্যক্ষ করা এবং বোড়ো সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাওয়াটা তাঁর জন্য একটি বিশেষ সৌভাগ্যের বিষয়। তিনি বলেন, তাঁর মতো এত ঘন ঘন কোনো প্রধানমন্ত্রী আসাম সফর করেননি এবং তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, আসামের শিল্প ও সংস্কৃতি যেন আরও বড় মঞ্চ পায় এবং জমকালো উদযাপনের মাধ্যমে দেশ ও বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি লাভ করে, এটাই তাঁর নিরন্তর ইচ্ছা। তিনি বলেন, এই লক্ষ্যে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে, যার উদাহরণ হিসেবে তিনি বড় আকারে বিহু উৎসব, ঝুমুর বিনোদিনীর পরিবেশনা, সোয়া এক বছর আগে নতুন দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিশাল বোড়ো মহোৎসব এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসামের শিল্প ও সংস্কৃতির অনন্য আনন্দ উপভোগ করার কোনো সুযোগ তিনি হাতছাড়া করেন না। তিনি বলেন, আবারও বাগুরুম্বা উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে, যা হবে বোড়ো পরিচয়ের এক প্রাণবন্ত উদযাপন এবং আসামের ঐতিহ্যের প্রতি একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি। শ্রী মোদী এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত সকলকে, বিশেষ করে শিল্পীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।বোড়ো সংস্কৃতি এবং জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে বোড়োদের সাফল্য ভারতবাসীর মনে গর্বের উদ্রেক করে : প্রধানমন্ত্রী
November 15th, 11:09 pm
প্রথম বোড়োল্যান্ড মহোৎসবে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। এসম্পর্কে তিনি মন্তব্য করেছেন যে, বোড়ো সংস্কৃতির জন্য ভারত খুবই গর্বিত। জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বোড়োদের সাফল্য আমাদের মধ্যে গর্বের অনুভূতি এনে দেয়।প্রথম বোড়োল্যান্ড মহোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
November 15th, 06:32 pm
আজ পবিত্র কার্ত্তিক পূর্ণিমা ও দেব দীপাবলি। এই উপলক্ষে আমি সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আজ গুরু নানক দেবজির ৫৫৫তম প্রকাশ পর্ব। আমি বিশ্বের আমাদের শিখ ভাই ও বোন সহ সমগ্র দেশবাসীকে এই উপলক্ষে অভিনন্দন জানাই। এছাড়াও, আজ সারা দেশজুড়ে জনজাতীয় গৌরব দিবস উদযাপিত হচ্ছে। আজ সকালেই আমি বিহারের জামুই-এ ভগবান বিরসা মুন্ডার সার্ধ জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছি। আর এখন এই সন্ধ্যায়, আমরা প্রথম বোড়ো মহোৎসব উদ্বোধন করছি। আসাম সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে বোড়ো সম্প্রদায়ের জনসাধারণ এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছেন। আমি উপস্থিত বোড়ো ভাই-বোনেদের আমার উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। আপনারা শান্তি, সংস্কৃতি এবং সমৃদ্ধির এক নতুন যুগ উদযাপনের জন্য এখানে সমবেত হয়েছেন।প্রথম বোড়োল্যান্ড মহোৎসবের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী
November 15th, 06:30 pm
প্রথম বোড়োল্যান্ড মহোৎসবের আজ সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। ২ দিনের এই উৎসবে বোড়ো সমাজের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে। বোড়ো সমাজে শান্তি অক্ষুণ্ন রাখতে এবং সমাজ ব্যবস্থাকে আরও উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত করে তুলতে এই উৎসব এক সদর্থক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লিতে প্রথম বোডোল্যান্ড মহোৎসভের উদ্বোধন করবেন
November 14th, 04:10 pm
প্রধানমন্ত্রী মোদী নতুন দিল্লিতে প্রথম বোডোল্যান্ড মহোৎসভের উদ্বোধন করবেন। ১৫ ও ১৬ নভেম্বর দুই দিনব্যাপী মহোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শান্তি বজায় রাখতে এবং একটি প্রাণবন্ত বোড়ো সোসাইটি গড়ে তোলার জন্য এটি ভাষা, সাহিত্য এবং সংস্কৃতির উপর একটি মেগা ইভেন্ট। এর লক্ষ্য শুধু বোডোল্যান্ডেই নয় আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, নেপাল এবং উত্তর পূর্বের অন্যান্য আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী আদিবাসী বোডো জনগোষ্ঠীকে একীভূত করা।