পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
April 15th, 07:56 am
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।বামপন্থীদের অত্যাচার বন্ধ করার জন্য তৃণমূলকে বেছে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা বামদেরও ছাড়িয়ে গেছে: ‘মেরা বুথ, সবসে মজবুত’ চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
April 14th, 04:45 pm
‘মেরা বুথ, সবসে মজবুত’ উদ্যোগের আওতায় প্রধানমন্ত্রী মোদী পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের বিজেপি কার্যকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং রাজ্যের সকল নাগরিককে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।বুথ শক্তি, মানুষের আস্থা এবং তৃণমূল স্তরে জনসংযোগ —পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি কার্যকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদীর মতবিনিময়
April 14th, 04:30 pm
‘মেরা বুথ, সবসে মজবুত’ উদ্যোগের আওতায় প্রধানমন্ত্রী মোদী পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের বিজেপি কার্যকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং রাজ্যের সকল নাগরিককে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।আসামের শিলচরে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বঙ্গানুবাদ
March 14th, 11:10 am
রাজ্যের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার আমার সহকর্মী সর্বানন্দ সোনোয়াল জি, বর্তমান রাজ্য সরকারের মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি এবং আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা।প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আসামের শিলচরে ২৩,৫৫০ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন
March 14th, 10:45 am
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ আসামের শিলচরে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন করেছেন। সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন যে, সংস্কৃতি ও প্রাণচঞ্চলতায় সমৃদ্ধ বরাক উপত্যকা সফর করা তাঁর কাছে সর্বদা এক অত্যন্ত বিশেষ অভিজ্ঞতা। প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন যে, শিলচর হলো এই উপত্যকার প্রবেশদ্বার; যেখানে ইতিহাস ও ভাষা একাকার হয়ে একটি অনন্য আঞ্চলিক পরিচিতি গড়ে তুলেছে। শ্রী মোদী উল্লেখ করেন যে, এই অঞ্চলের মূল শক্তি নিহিত রয়েছে এর বৈচিত্র্যের মধ্যে—যেখানে বাঙালি, অসমীয়া এবং বিভিন্ন জনজাতির ঐতিহ্য পারস্পরিক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে পাশাপাশি বিকশিত হচ্ছে। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “বরাক উপত্যকার বৈচিত্র্যই হলো এর সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ, যা এখানকার নাগরিকদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তোলে।”দিল্লির চিত্তরঞ্জন পার্কে দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রধানমন্ত্রী অংশগ্রহণ করেছেন
September 30th, 09:24 pm
মহাঅষ্টমীর শুভ উপলক্ষে, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ দুর্গাপূজা উদযাপনে অংশ নিতে দিল্লির চিত্তরঞ্জন পার্ক পরিদর্শন করেছেন।মুম্বাইতে অভিজাত মারাঠি ভাষা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
October 05th, 07:05 pm
মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল শ্রী পি রাধাকৃষ্ণান জি মুখ্যমন্ত্রী শ্রী একনাথ শিন্ডেজি, উপ মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিশ ও অজিত পাওয়ার জি, কেন্দ্রীয় সরকারে আমার সহকর্মীগণ, আশাতাই জি যিনি তাঁর সঙ্গীতের দ্বারা একাধিক প্রজন্মের ওপর ছাপ ফেলেছেন, খ্যাতনামা অভিনেতা ভাই শচীনজি, নামদেও কাম্বলে জি এবং সদানন্দ মোরেজি, মহারাষ্ট্র সরকারের মন্ত্রী দীপক জি ও মঙ্গল প্রভাত লোধা জি, বিজেপি মুম্বাই সভাপতি ভাই আশিস জি, অন্যান্য বিশিষ্ট জন, ভাই ও বোনেরা !প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ে অভিজাত মারাঠী ভাষা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন
October 05th, 07:00 pm
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ে অভিজাত মারাঠী ভাষা অনুষ্ঠানে জানান, কেন্দ্রীয় সরকার মারাঠীকে সরকারিভাবে ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা দিয়েছে। এই মুহূর্তের তাৎপর্য সম্পর্কে তিনি বলেন, মারাঠী ভাষার ইতিহাসে এটি এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মারাঠীভাষী জনসাধারণের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করার এই প্রক্রিয়ায় তিনিও সামিল ছিলেন বলে আনন্দ প্রকাশ করেন। এর মাধ্যমে মহারাষ্ট্রের স্বপ্ন পূরণ হ’ল। এই উপলক্ষ্যে তিনি রাজ্যের জনগণকে অভিনন্দন জানান। শ্রী মোদী ঘোষণা করেন যে, বাংলা, পালি, প্রাকৃত ও অসমিয়াও ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা পেয়েছে। এই উপলক্ষ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট ভাষাগুলির সঙ্গে যুক্ত সকলকে অভিনন্দন জানান।বাংলা এবং মারাঠি, পালি, প্রাকৃত ও অসমিয়াকে ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা দানের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা
October 03rd, 09:38 pm
২০০৪ সালের ১২ অক্টোবর ভারত সরকার ‘ধ্রুপদী ভাষা’ হিসেবে একটি ভাষাবর্গ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। সেইসময় তামিলকে ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তখন বলা হয়, ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে চিহ্নিত হতে গেলে সংশ্লিষ্ট ভাষাকে অন্তত ১০০০ বছরের পুরনো হতে হবে। ওই ভাষায় প্রাচীন সাহিত্যের নিদর্শন থাকতে হবে যা হবে সম্পূর্ণভাবে স্বকীয়। ২০০৪-এর নভেম্বরে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক সাহিত্য অ্যাকাডেমির আওতায় একটি ভাষা বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে মর্যাদা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনুসরণীয় বিষয়গুলিতে কিছুটা পরিমার্জন করা হয় ২০০৫-এর নভেম্বরে। তখন বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ভাষাটি অন্তত ১৫০০-২০০০ বছরের পুরনো হতে হবে, সংশ্লিষ্ট ভাষাটিতে প্রাচীন সাহিত্যের নিদর্শন থাকতে হবে যা হবে সম্পূর্ণভাবে স্বকীয় এবং ভাষাটির প্রাচীন রূপ ও আধুনিক রূপের মধ্যে তফাৎ থাকতে হবে। এর পরে তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালম এবং ওড়িয়াকেও ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।