শেয়ার
 
Comments 52 Comments

আবেগপ্রবণ লেখক, কবি ও সংস্কৃতি-প্রেমী... এগুলো হচ্ছেনরেন্দ্র মোদিকে বর্ণনা করার অন্যান্য কিছুর মধ্যে কয়েকটি বিষয়| তাঁর সদাব্যস্ত,কর্মমুখর সময়ের মধ্যেও নরেন্দ্র মোদি কিছুটা সময় তিনি যা করতে ভালবাসেন, যেমন যোগ,লেখালেখি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে আলাপচারিতা ইত্যাদি করতে ব্যয়করেন| তার বিভিন্ন জনসভার মাঝখানেই ওখানকার অভিজ্ঞতা নিয়ে আপনি কয়েকটি টুইট দেখতেপাবেন| তরুণ বয়স থেকেই তিনি লিখছেন| এই অংশটি আপনাকে নরেন্দ্র মোদির সম্পর্কে এমনএক সত্যের সামনে নিয়ে যাবে যা প্রায়শই বর্তমান ব্রেকিং নিউজের যুগে বাদ পড়ে যায়!

“যোগ হচ্ছে মানবজাতির জন্য ভারতের এক উপহার যা আমরা গোটা পৃথিবীর কাছে নিয়ে যেতে পারি| যোগ শুধুমাত্র রোগমুক্তির বিষয় নয়, এটা ভোগমুক্তিও|”
নরেন্দ্র মোদির অসাধারণ বক্তৃতাগুলোর মধ্যে একটি যা তার মনের খুব কাছাকাছি বিষয়—তা হচ্ছে যোগ
 
তাঁর বইগুলো তাঁর ভাষণের মতই শক্তিশালী, অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ ও তথ্যপূর্ণ| নরেন্দ্র মোদির প্রতিটি বই তথ্য, সমৃদ্ধ ভাব এবং তাঁর জীবনের বিভিন্ন ঘটনাপঞ্জীর ভাণ্ডার|
জরুরি অবস্থার অন্ধকারাচ্ছন্ন দিনগুলির গুজরাটের এক ঝলক দেখুন, সামাজিক সাম্য নিয়ে নরেন্দ্র মোদির দৃষ্টিভঙ্গি পড়ুন এবং আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এক সবুজ পৃথিবী তৈরি করে যাওয়া তিনি কেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তা জানুন...
 
“সাক্ষীভাব হচ্ছে আমার ৩৬ বছর বয়সে জগজ্জননী মা’র সঙ্গে আমার সংলাপের সংকলন... এটা আমার সঙ্গে পাঠকদের সংযুক্ত করবে এবং শুধুমাত্র সংবাদপত্র নয়, আমার শব্দের মধ্য দিয়ে পাঠকরা আমাকে জানতে পারবেন|”
আপনি কি জানেন তরুণ নরেন্দ্র মোদি দিনপঞ্জী লিখতেন এবং ছয় থেকে আট মাসের পর তা পুড়িয়ে ফেলতেন? একদিন এক প্রচারক তাঁকে এটা করতে দেখেন এবং তা না করার জন্য অনুরোধ জানান... এই লেখাগুলির সঙ্কলনই সাক্ষীভাব, যা নরেন্দ্র মোদির ৩৬ বছর বয়সের চিন্তাচেতনার এক সংগ্রহ|
 
“গদ্যে যা বর্ণনা করা যায় না, তা অনেক সময়ই পদ্যে প্রকাশ করা যেতে পারে...”
এটা নরেন্দ্র মোদির বিভিন্ন রকম কবিতার সংগ্রহ| গুজরাটি ভাষায় লিখিত এই রচনাগুলি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যেমন মা, প্রকৃতি ও দেশপ্রেম|
 
“শিল্প, সঙ্গীত ও সাহিত্যকে রাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল হওয়া উচিত নয়| এর কোনো সীমা থাকা উচিত নয়| সরকারকে শুধুমাত্র এই প্রতিভাকে চিহ্নিত করে উত্সাহিত করতে হবে|”
জনপ্রিয় সংস্কৃতি নিয়ে নরেন্দ্র মোদির চিন্তাধারার এটা সারাংশ| জরুরি অবস্থা-বিরোধী সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকায় মত-প্রকাশের স্বাধীনতার অনুচ্ছেদ তাঁর কাছে এক বিশ্বাসের বিষয়, যা তিনি আক্ষরিক অর্থেই অনুসরণ করেন| খ্যাতনামা শিল্পীদের সঙ্গে তাঁর আলোচনা আপনি উপভোগ করবেন|
শরতের হৃদয় থেকে বসন্তের জাগরণ!

শ্রী নরেন্দ্র মোদির লিখিত একটি সুন্দর কবিতা যা শিল্পী পার্থিব গোহিল গেয়েছেন
 
সুন্দর একটি কবিতার মাধ্যমে নবরাত্রির বর্ণময় গতিময়তা উদযাপন
নবরাত্রি নিয়ে শ্রী নরেন্দ্র মোদির লিখিত একটি কবিতা
Explore More
আমাদের ‘চলতা হ্যায়’ মানসিকতা ছেড়ে ‘বদল সাকতা হ্যায়’ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনপ্রিয় ভাষণ

আমাদের ‘চলতা হ্যায়’ মানসিকতা ছেড়ে ‘বদল সাকতা হ্যায়’ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
India to enhance cooperation in energy, skill development with Africa

Media Coverage

India to enhance cooperation in energy, skill development with Africa
...

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
হৃদয়বান নিরাময় করলো হৃদ রোগের সমস্যা
September 16, 2016
শেয়ার
 
Comments 1509
Comments

আমাদের যুব সমাজ আমাদের গর্ব, যাঁরা আমাদের দেশকে অগ্রগতির নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এটা আমাদের প্রথম এবং প্রধানতম কর্তব্য তাঁদের সাহায্য করা যখন তাঁরা কোন সমস্যা বা রোগের মুখোমুখি হয়।

পুনের একটি স্বল্প সুবিধাভোগী পরিবারের ৭ বছর বয়সী বৈশালী দুই বছরের বেশি সময় ধরে হার্টের সমস্যায় ভুগছে। একটু কল্পনা করুন অগ্নিপরীক্ষায় তাঁকে এত বছর কষ্টভোগ করা উচিত ছিল!

বৈশালী যখন প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর হার্ট ব্যাধিটির জন্য চিঠি সির্ধান্ত নিয়েছিল তখন সে জানতো না প্রধানমন্ত্রী শুধু তাঁর চিঠির উত্তরই দেবে না সাহায্য করার জন্য ব্যক্তিগতভাবে দেখা করবে এবং তাঁর মনোবল বৃদ্ধি করবে।

বৈশালী দুই পৃষ্ঠার চিঠিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি আবেগময় আবেদন করেছিল তাঁর কন্যা হিসেবে সাহায্য করতে যাতে সে পুলিশ অফিসার হয়ে তাঁর স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।.

চিঠি আমলে গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কর্মকর্তারা দ্বারা বৈশালীকে চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং সে পেয়েছিলো সঠিক ডাক্তারি পরীক্ষা এবং তাঁর চিকিৎসা করা হয়েছিল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে

যখন ইটা ঘটেছে, বৈশালী একটা খুব মর্মস্পর্শী চিঠি লিখেছিল প্রধানমন্ত্রীর কাছে এবং চিঠি সঙ্গে একটি অঙ্কন সংযুক্ত করেছিল, তাঁর উত্তরও প্রধানমন্ত্রী দিয়েছিলো

তারপর, যখন প্রধানমন্ত্রী ২৫ জুন ২০১৬-তে পুনে যান তিনি ব্যক্তিগতভাবে বৈশালী এবং তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। শ্রী মোদী বলেন যে, এই সাক্ষাৎকার তাঁর স্মৃতিতে গেঁথে থাকবে।

বৈশালীর এই গল্প শুধু একটা উদাহরণ। মানুষের কাছ থেকে এই ধরনের বেশ কিছু চিঠি প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর অফিসে আসে। যথাসাধ্য চেষ্টা করে প্রতিটি সমস্যার সংশ্লিষ্ট সুরাহা করে নিশ্চিত করা হয় ভারতের নাগরিক কোন কষ্টের মধ্যে  না থাকে।